বাঁশতলা গ্রামে নদী গর্বে বিলীন মসজিদ ,মাজার (18-04-17)

অনিয়ন্ত্রিত বৃষ্টিপাত ও পাহাড়ি ঢলে ভাঙ্গনর ফলে মৌলভীবাজার সদর উপজেলার চাঁদনীঘাট ইউনিয়নের বাঁশতলা গ্রামে নদী গর্বে বিলীন হয়ে গেছে মসজিদ,মাজার,খেলার মাঠ হুমকির মুখে প্রাথমিক বিদ্যালয় সরজমিন গিয়ে কথা হয় এলাকাবাসীর সাথে রেডিও পল্লীকণ্ঠকে জানান মনু নদীর কারনে এখানে যে ভাঙ্গন হচ্ছে বাঁশতলাও গ্রাম যাবে,যদি বাঁশতলা দিয়ে পানি ঢুকে তাহলে মাথারকাপন বলেন বর্ষিজোড়া বলেন পানির নিচে তলিয়ে যাবে,বর্তমানে আমরা অনেক বিপদের মুখে,এই বর্ষায় কি হবে না হবে আল্লাহ ছাড়া কেউ বলতে পারবে না । জসিম আহমদ জানান আমাদের বিশাল একটা মাঠ ছিল, অন্য এলাকার মানুষ এসে এই মাঠে খেলাধুলা উপোভোগ করতো ।খেলাধুলার মাঠ তিন ভাগের এক ভাগ আছে খেলার মাঠ না হয় অন্য জায়গাত গিয়ে খেলাধুলা করা যাবে,সবচাইতে কষ্টের ব্যাপার হলো সিলেট বিভাগের ৩৬০ আউলিয়ার একজন হযরত শাহ জামাল (রহ:) যে মাজারটা ভেঙ্গে গেছে তা আর গড়া স¤ভব নয় ।এই জায়গাত আসলে মাজারটা জিয়ারত করে শান্তি মিলতো বুঝতে পারছেন। মাজারটা ভাঙ্গার পর থাকি মানুষের মন ভাল নেই ।আমরা তো পাশে থেকে জিয়ারত করতাম, অনেক দূর দূরান্ত থেকে মানুষ আসে খুব কষ্ট লাগে এই জায়গায় বসলে । বিদ্যালয় ও এই গ্রাম নিয়ে বসবাস করা আমাদের জন্য অনেক কষ্ঠের হয়ে পড়েছে । এই শহর রক্ষা বাঁধ যদি মেরামত না হয় শুধু বাঁশতলা গ্রাম নয়,টাউন পর্যন্ত গিয়ে পানির নিচে তলিয়ে যাবে এই বাঁধ শহর রক্ষা বাঁধ । এ ব্যাপারে বাঁশতলা প্রাইমারী স্কুলের প্রধান শিক্ষিকা বলেন আমাদের স্কুলের সামনে মসজিদ এবং মাজার ছিল,পরিবেশটা খুবই সুন্দর ছিল, কিন্তুু নদীর ভাঙ্গনের ফলে এই পরিবেশ নষ্ঠ হয়ে গেছে । বর্তমানে আমরা ঝুঁকির্পূন অবস্থায় আছি ।নদী ভাঙ্গনের কারনে বাচ্চারা নিয়মিত স্কুলে আসেনা ,আমরা আতংকের মধ্যেই থাকি, অভিবাবকরা বাচ্চাদের দিতে ভয় পায় ,বিদ্যালয় আসতে ভয় পায় যদি কোন বাচ্চা ঝুঁকিপূর্ন অবস্তায় নদীতে পরে যায় । মৌলভীবাজার পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী বিজয় ইন্দ্র শংকর চক্রবর্তী রেডিও পল্লীকণ্ঠকে জানান আমি অবগত এ বিষয়ে, আমি নিজে ও সরেজমিনে দেখেছি,ভাঙ্গনটা অনেক আগেই ছিল এর জন্য আমরা ব্লকের কাজ করব পারমানেন্ট প্রটেক্টিভ ওয়ারক করব এর জন্য আমরা একটি প্রকল্প বানাচ্ছি ,মৌলভীবাজার জেলার মৌলভীবাজার সদর রাজনগর উপজেলায় অবস্থিত, সে প্রকল্প তৈরি হয়ে গেলে আমাদের ভাঙ্গন প্রবণ যে এলাকাগুলো আছে সেগুলোতে আমরা ব্লক পারমানেন্ট কাজ করে দেব । ব্লকের স্থায়ী ভাবে এই কাজ করলে বিশ/তিরিশ বছরে সমস্যা হয়না । এ প্রকল্পের ব্যাপারে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ও নির্দেশনা রয়েছে । আশা করছি এ প্রকল্পটা পাশ হলে আগামী বছর পুরো কাজ করে দিতে পারব ,আর এ বছর মেরামতের কাজ করব ।
তাহমিদ/রেডিও পল্লীকণ্ঠ

নতুন মন্তব্য যুক্ত করুন

Plain text

  • সকল HTML ট্যাগ নিষিদ্ধ।
  • ওয়েবসাইট-লিংক আর ই-মেইল ঠিকানা স্বয়ংক্রিয়ভাবেই লিংকে রূপান্তরিত হবে।
  • লাইন এবং প্যারা বিরতি স্বয়ংক্রিয়ভাবে দেওয়া হয়।
ক্যাপচা
This question is for testing whether or not you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.
ক্যাপচা
ছবিতে দেখানো অক্ষরগুলো লিখুন