২০২০ সালের মধ্যে দেশের অন্ধত্ব নিবারণেসবাইকে একসাথে চক্ষু স্বাস্থ্যসেবা জনগণের দোড়গোড়ায় পৌঁছাতে হবে (30-07-17)

তাহমিদ আহমেদ :দেশের ক্রমবর্ধমান চক্ষুরোগীদের সেবা নিশ্চিত করতে ২০২০ সালের মধ্যে চক্ষু স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করতে হবে। বর্তমানে বাংলাদেশে প্রায় ১১০০ জন ওপথালমোলজিস্ট বা চক্ষু চিকিৎসক রয়েছে, যা প্রয়োজনের তুলনায় অনেক কম। শনিবার ঢাকায় অনুষ্ঠিত এক কর্মশালায় চক্ষু স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞগণ একথা বলেছেন।তারা আরো জানান, বাংলাদেশ ভিশন ২০২০ এর স্বাক্ষরকারী দেশ হিসেবে দৃষ্টি অধিকার প্রতিষ্ঠায় অনেকগুলো পদক্ষেপ গ্রহণ করে তা বাস্তবায়ন করছে। এর মধ্যে ২০০২ সালে জাতীয় পর্যায়ে জরিপ পরিচালনা, ২০০৫ সালে জাতীয় চক্ষু পরিচর্যা পরিকল্পনা (এনইসি) প্রণয়ন ও ২০০৬ সালে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে একটি পৃথক অধিদপ্তর গঠন অন্যতম। প্রথম ন্যাশনাল আই কেয়ার (এনইসি) পরিকল্পনায় মানব সম্পদ উন্নয়নকে প্রাধান্য দেয়া হয়েছে। এরপর থেকে ন্যাশনাল আই কেয়ার (এনইসি) পঞ্চবার্ষিকী কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করে বিভিন্ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করে চলেছে।ঢাকার মহাখালীস্থ ব্র্যাক সেন্টার ইনে অনুষ্ঠিত ওঅচই ঠরংরড়হ ২০২০ ডড়ৎশংযড়ঢ় ২০১৭ শীর্ষক দিনব্যাপী এ কর্মশালাটির যৌথ আয়োজক দ্য ইন্টারন্যাশলনার এজেন্সী ফর প্রিভেনশন অব ব্লাইন্ডনেস বাংলাদেশ চ্যাপ্টার ও আইএনজিও ফোরাম। কর্মশালার লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য ছিল বাংলাদেশের চক্ষুস্বাস্থ্য খাতের সমস্যা ও সেগুলোর সমাধানের পথ খুঁজে বের করা।কর্মশালায় প্রধান অতিথি ছিলেন প্রফেসর সৈয়দ মোদাস্সের আলী, চেয়ার, বিএমআরসি ও গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সাবেক উপদেষ্টা। বিশেষ অতিথি ছিলেন ড. পাতাঞ্জলী দেব নায়ার, রিজিওনাল এডভাইজর, ডিজএ্যাবিলিটি, ইনজুরি প্রিভেনশন ও রিহ্যাবিলিটিশেন, বিশ^ স্বাস্থ্য সংস্থার দক্ষিণ পূর্ব এশিয়া অফিস, প্রফেসর ড. আভা হোসেন, ভাইস প্রেসিডেন্ট, এশিয়া প্যাসিফিক ওপথালমিক সোসাইটি, প্রফেসর দীন মোহাম্মদ নুরুল হক, সাবেক পরিচালক, ডিজিএইচএস, প্রফেসর মো. শারফউদ্দীন আহমেদ, প্রেসিডেস্ট, ওএসবি, প্রফেসর ড. গোলাম মোস্তফা, লাইন ডিরেক্টর, ন্যাশনাল আই কেয়ার ও পরিচালক, এনআইওএন্ডএইচ, ডিজিএইচ, স্বাস্থ্য ও পরিবার উন্নয়ন মন্ত্রণালয়। সভাপতিত্ব করেন আইএপিবি বাংলাদেশ চ্যাপ্টারের চেয়ার এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) প্রফেসর এএইচএম এনায়েত হোসেন। দিনব্যাপী কর্মশালায় সরকারী কর্মকর্তা, দেশের স্বনামধন্য চক্ষু চিকিৎসকসহ আন্তর্জাতিক ও জাতীয় উন্নয়ন সংস্থা, বেসরকারী প্রতিষ্ঠানের ৬০ জন প্রতিনিধি অংশগ্রহণ করেন।

নতুন মন্তব্য যুক্ত করুন

Plain text

  • সকল HTML ট্যাগ নিষিদ্ধ।
  • ওয়েবসাইট-লিংক আর ই-মেইল ঠিকানা স্বয়ংক্রিয়ভাবেই লিংকে রূপান্তরিত হবে।
  • লাইন এবং প্যারা বিরতি স্বয়ংক্রিয়ভাবে দেওয়া হয়।
ক্যাপচা
This question is for testing whether or not you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.
ক্যাপচা
ছবিতে দেখানো অক্ষরগুলো লিখুন